বোড়েকে এগিয়ে দিলাম

সমরজিৎ সিংহ



১.

জীবনে একটিও সঠিক কাজ করিনি। যেদিন থেকে একটু আধটু বুঝতে পারলাম, লক্ষ করেছি, আমার প্রতিটি কাজ সমালোচিত হয়েছে, তা শুধু নয়, বরং নিন্দিত হয়েছে সে সকল কাজ। মুখ বুজে মেনে নিয়েছি সব, প্রতিবাদ করিনি। সে ভাষা ছিল না আমার।
প্রথম যেদিন রাস্তা থেকে এক চকচকে সিকি কুড়িয়ে এনেছিলাম ঘরে, মা, আশ্চর্য এক ক্রোধে, বলেছিল, চুরি করেছিস? লজ্জা করে না তোর?
কোনো জবাব দিতে পারিনি। পারার কথা নয়, মা'র চণ্ডরাগ, অনেকবার দেখেছি, অনেকবার। তা ছাড়া, কী বলব আমি? রাস্তায় পড়েছিল ঐ সিকিটা, কারও পকেট থেকে পড়ে থাকবে হয়তো, কুড়িয়ে নিয়েছিলাম। এটাকে কি চুরি করা বলে? এই সিকির তো মা-বাপ কেউ ছিল না। তাহলে? রাস্তা থেকে কুড়িয়ে নেওয়াও মা'র কাছে চুরি!
সেদিন মা যে শাস্তি দিয়েছিল, তা কহতব্য নয়। হাত ধরে, হিড় হিড় করে টেনে নিয়ে গেল পাশের একটা আম গাছের নিচে। দড়ি দিয়ে বাঁধল আমার কোমর, হাত ও পা। আমি শুধু চিৎকার করে কাঁদছি, আর দেখছি, কোত্থেকে একটা কোদাল নিয়ে এল মা। আম গাছের নিচে খুঁড়তে লাগল এক বড় গর্ত। কোনো দিকে ভ্রুক্ষেপ নেই মা'র। ঐ গর্তের দিকে তাকিয়ে চিৎকার করে কাঁদছি আমি, এই আশায়, যদি কেউ আমাকে বাঁচাতে আসে! কিন্তু কেউ আসে না। গর্ত খুঁড়ে, কোদাল রেখে, মা এগিয়ে এলেন আমার দিকে। হাত-পা খুলে দিলেন। কোমরের দড়িও। তারপর, টেনে, হিঁচড়ে আমাকে নিয়ে ফেলে দিলেন ঐ গর্তে।
হুমড়ি খেয়ে পড়লাম আমি। কোনো রকমে দু'পায়ে ভর দিয়ে দাঁড়াতেই, আমার শরীর ঠাণ্ডা হয়ে গেল অদ্ভুত এক ভয়ে। বুঝলাম, মৃত্যু আসন্ন আজ। ঐ গর্তে মাটি চাপা দিয়ে আমাকে মেরে ফেলতে চাইছে মা। চোখ দিয়ে আগুন বেরুচ্ছে তার।
আমার কান্না, আমার চিৎকার, চিৎকার নয়, মরণ-আর্তনাদ, কোনোটাই স্পর্শ করছিল না মা-কে। এতটাই পাষাণী তিনি। মনে হচ্ছিল, এই রাক্ষসীকে, এতদিন, মা বলে ডাকতাম আমি! এই পাষাণী, সত্যিই, আমার মা?
আমার বুক অবধি মাটি চাপানো হয়ে গেছে। বুঝলাম, আর আশা নেই। বাবার মুখ মনে পড়ল। ঐ লোকটার কারণে আজ আমার এই দশা। মা আর আমাকে ঘর থেকে বের করে দিল কেন? যদি না দিত, আজ, অপরের ঘরে এসে মুনি খাটতে হত না আমাকে! মা-কেও গৃহপরিচারিকার কাজ নিতে হত না!
ঐ তদগত মুহূর্তে, মনে পড়ে গেল, ঘর থেকে বের করার সেই নিষ্ঠুর দৃশ্য। না, ঠিক ঘর থেকে নয়, ঘরের দাওয়া থেকে মা'র চুল ধরে টেনে নিয়ে, তারপর, আচমকা, ঘাড়ে ধরে ধাক্কা দিলেন মা'কে। বাধা দিতে গিয়েছিলাম, এক ঝটকায় উঠোনে গিয়ে পড়লাম আমি। আর, চেয়ে দেখি, সম্পূর্ণ বিবস্ত্র মা অঝোর বৃষ্টিতে ভিজছেন। শ্রাবণ মাস। ভোর থেকে অবিশ্রান্ত বৃষ্টি। ঐ বৃষ্টিতে মা ভিজছে, আমিও।
চোখ বন্ধ করে ফেলি আমি। এ দৃশ্য দেখার নয়। এ দৃশ্য যারা দেখেছে, যতবার দেখেছে, তাদের অন্ধ হয়ে যেতে হয়েছে, অন্তিম শাস্তি হিসেবে।

শুরু করেছিলাম, ভুল আমি সমগ্র জীবন ধরে করে এসেছি, এটা বলে। মাঝে মাঝে, মনে হয়, আমার এই জন্মে কোনো ভুল ছিল হয়তো। মা চেয়েছিল, তার এক সন্তান হোক। ভারতীয় নারীদের এই চাওয়া চিরন্তন। তাদের শেখানো হয়েছে, মাতৃত্বেই নারীর পরিচয়, তারা তা বেদবাক্য, বলে, মেনে, নির্বিচারে, জন্ম দিয়ে গেছে সন্তানের, জন্ম দিয়ে যাচ্ছে সন্তানের, জন্ম দিয়ে যাবে সন্তানের। কেউ লক্ষ করল না, পুরুষতন্ত্র এভাবেই পুঁতে চলেছে তার বীজ। ফলে, ভুল জন্ম হয়।

আমার পরিপ্রেক্ষিত ভিন্ন।
হ্যাঁ, আমার পরিপ্রেক্ষিত সম্পূর্ণ ভিন্ন। এবং বলা উচিত, তা স্বাভাবিক নয়। আমার মা বাল্যবিধবা। মনিপুরী সমাজে বাল্যবিধবাদের অবস্থান খুব সুখকর না হলেও, সে সমাজে রয়েছে বিধবা বিবাহের প্রচলন, আর বহু বিবাহের।
গ্রাম্য ধনী পরিবারের বৌ হওয়ার ফলে, বিধবা হবার পর, বিপুল সম্পত্তির মালিক হয়েছিল মা। দেবররা তাদের পিতৃসম্পত্তির ভাগ আগেই পেয়ে গিয়েছিল, ফলে, মৃত স্বামীর সম্পত্তি পেতে কোনো বাধা হয়নি মা'র।
মুশকিল ছিল অন্যখানে। শুধু গ্রামে নয়, মনিপুরী সমাজে মা'র মত সুন্দরী আর কেউ ছিল না তখন। এই সৌন্দর্য কাল হয়ে দাঁড়াল তার। একে বিপুল সম্পত্তি, তার উপর আগুনের মত ঐ সৌন্দর্য, কোন পুরুষ নিজেকে সামলে রাখতে পারবে?
আমার বাবা পারেননি। না পারার অনেকগুলি কারণের মধ্যে প্রথমটি হল, নারীলোভী ছিল আমার বাবা। এটা বড় হয়ে উপলব্ধি করেছি, যখন জানতে পারি, নানা স্থানে, নানা এলাকায় বাবার প্রেমিকাদের দেখে। তারা নিজেদের পরিচয় দিত আমার বাবার বৌ বলে। প্রথমে অবাক হতাম, পরে গা সওয়া হয়ে গিয়েছিল এসব।
এর পেছনে একটা প্রধান কারণ ছিল বাবার প্রতিপত্তি বা প্রতাপ। তখনকার দিনে, দেখেছি, বাবার মুখের উপর কথা বলার সাহস ছিল না কারও। এমন কি, থানার দারোগাকেও দেখেছি, গ্রামে এলে, প্রথমেই, বাবাকে এসে বলত, কেন গ্রামে আসা, এবং অনুমতি চাইত অ্যাকশন নেবার।
এই প্রতিপত্তির সঙ্গে জুড়ে রয়েছিল পুরুষোচিত সৌন্দর্য, যা যে কোনো নারীকে আকর্ষণ করার জন্য যথেষ্ট।
না পারার দ্বিতীয় কারণটি ছিল, অর্থের প্রতি বাবার লোভ। আমার মনে হয়, মা'র বিপুল সম্পত্তি ও সৌন্দর্য বাবাকে নিয়ে এসেছিল এই পথে। অথচ তখন বাবা বিবাহিত, দুই সন্তানের জনক, মহারাণী কাঞ্চনপ্রভা দেবীর কাছে গ্রামের জন্য স্কুল দাবি করে পেয়েছেন শিক্ষকের চাকুরি।
এই চাকুরি পাবার কিছুদিন পর, ত্রিপুরা অন্তর্ভুক্ত হয়ে গেল ভারতে। সে ১৯৪৯ সাল। বাবা তখন গ্রামের হিরো। সকলের সমীহ আদায় করে নিয়েছেন ততক্ষণে।
তৃতীয় যে কারণটি উল্লেখ না করলেই নয়, আর এটা, বড় হবার পর, গ্রামের অধিকাংশ লোক আমাকে বলেছেন, বলে, উল্লেখ করছি। তা হল, বাবার প্রথম পত্নী ছিলেন বেশ লোভী। বাইরে থেকে বোঝা যেত না, আমার এক ঠাকুমা না দেখিয়ে দিলে, কোনোদিনও তা ধরতে পারতাম না। তা ছাড়া, সৎমা, বলে, তার বিরুদ্ধে বলছি, এ ধারণাও লোকের হতে পারে, অথচ তা নয়। আমার এই সৎমা,যাকে বড়মা, বলে, ডাকতাম, সম্পর্কে আমার মা'র দূর সম্পর্কের ছোটবোন। এসবের পরেও বলতে হল, কেন না, আমি চাইছি, আমার ভুল জন্মের কারণগুলি খুঁজে পেতে।


মা'কে আগুন বলব, না কি ফুল বলব, এটা ঠিক করে উঠতে পারিনি। আগুন যদি বলি, ঐ আগুনে ঝাঁপ দিতে যে সকল পুরুষ দলে দলে এসেছিল, তাদের মধ্যে বাবাকেই মনে ধরেছিল মা'র। তবে ঐ আগুনে পুড়ে মরেনি বাবা, বরং ছারখার হয়ে গিয়েছিল মা'র জীবন।
এদিক থেকে দেখলে, মা'কে আগুন হিসেবে ভাবতে পারি না। সেক্ষেত্রে, তাকে ফুল হিসেবে চিহ্নিত করা বিধেয়। ফুল ছিঁড়ে নিয়ে অনেকেই তছনছ করে, থ্যাঁতলে ফেলে দেয়।
এই কাজটাই করেছিল বাবা।
যতখানি পরে জেনেছি, বাবাকে মা করেছিল বিশ্বাস, অথবা, বলা ভালো, এ ছাড়া দ্বিতীয় পথ ছিল না মা'র সামনে। ধীরে ধীরে, মা স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছিল নতুন করে। সেই স্বপ্নে ছিল এক সন্তান, ছিল মাতৃত্বের স্বাদ পাবার এক অনাবিল আকাঙ্ক্ষা।
মা'র ঐ আকাঙ্ক্ষার ভেতর রয়ে গিয়েছিল আমার ভুল জন্মের বীজ, যে ভুল চেপে বসেছে আমার সমগ্র জীবনে।

ও, হ্যাঁ, বলতে ভুলে গেছি। আমি, আমি অনুপম। আমার মা'র নাম বিশাখা। আর, বাবা?
মনু নদীর পাড়ে যে গ্রাম জলের তলে যেতে যেতে, এখনও, টিকে আছে, সেই গ্রামের পত্তনকারী পাঁচজন লোকের একজন বাবার ঠাকুরদা। একদা গ্রামটা ছিল মণিপুরীদের। একটা পাড়া, গ্রামের দক্ষিণ দিকে ছিল মগদের। অনেকেই এদের আরাকানের লোক ভাবে, এটা ভুল। এরা আরাকানের নয়। আগে এদের বলা হত লিকা।
কেন তাদের লিকা বলা হত, আমি জানি না। লিকাদের উল্লেখ, রাজমালায়, অতি সামান্য। বলা হয়েছে, তাদের হারিয়ে, ত্রিপুরায়, মাণিক্য রাজবংশের উত্থান। তার মানে, একসময়, লিকাদের অধীন ছিল ত্রিপুরা।
এই মগরা বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী। ছোটবেলায়, এদের গ্রামে দেখলেও, বড় হয়ে আর দেখিনি তাদের । পরে, অনেক পরে, তাদের দেখেছি ত্রিপুরার দক্ষিণ অঞ্চলে, তাও কর্মসূত্রে গিয়ে। আমার, কেন জানি না, মনে হয়, আমাদের গ্রামের পত্তন, বাবার পূর্বপুরুষ করেননি, করেছিল এই মগ সম্প্রদায়।
গ্রামের পূর্বদিকে রঘুনন্দন পাহাড়, ঊনকোটি পর্যন্ত এর বিস্তার, বা তারও বেশি। এই পাহাড়ে থাকত দার্লঙরা, মূলত লুসাইদের এক গোষ্ঠী এরা। লোককথা অনুসারে, চীনের কোথাও এদের আদি বসতবাড়ি। সেখান থেকে দৈবদুর্বিপাকে তারা এসেছিল লুসাই পাহাড়ে।
এই গ্রামের একমাত্র স্কুলটি প্রতিষ্ঠা করেছিল বাবা, ফলে, ছাত্র হোক আর না-ই হোক, সকলেই বাবাকে ডাকত অজা। মানে, স্যার। কেউ কেউ মাস্টারমশাই। মহারাণী কাঞ্চনপ্রভা দেবী অনুমোদন দিয়েছিলেন এই স্কুলের এবং এর শিক্ষকও ছিল বাবা নিজে।
বাবার প্রতিপত্তি, এতদঞ্চলে, কেন এত বেশি ছিল, তার অনেক কারণের মধ্যে একটা ছিল শিক্ষা বিস্তারে তার অবদান এটা মনিপুরীরা শুধু নয়, এই অঞ্চলে ধীরে ধীরে ওপার থেকে আসা বাঙালিরাও স্বীকার করেছে, তবে তাদের পছন্দ বাবার ছিল বাবার উপস্থিত বুদ্ধি। শুধু এটা নয়, পরগণার বিচার ব্যবস্থায় বাবা পালন করতেন গ্রামীণ বিচারকের ভূমিকা। আর ছিল বাগ্মিতা।
অনেকদিন ভেবেছি, হাই স্কুলেও যে লোকটা ঠিক মত পড়তে পারেনি, তার জনপ্রিয়তা কি শুধু এসব কারণেই হয়েছিল? মা কি একারণেই মজে গিয়েছিল বাবার প্রেমে?
পাশের টিলায় থাকত মঞ্জরী ঠাকুমা, বয়সে মা'র থেকে সামান্য বড়। বাবার আত্মীয়া হলেও ভালোবাসতেন মা'কে, অনেকটা ছোটবোনের ন্যায়, আবার কিছুটা বান্ধবীর মত। বারবার বাধা দিয়ে বলেছিল, খুব ভুল করছে, বিশাখা। এই লোকটার থেকে দূরে সরে যাও। নইলে ডুববে।
মা হাসত। বলত, ডুবে যে গেছে, তার আর ডোবার ভয়?
দুই সন্তানের বাবা। তার বৌ আছে। সে তোমাকে কোথায় জায়গা দেবে?
কোথাও না দিক, হৃদয়ে দিলেই আমার চলে যাবে মঞ্জরীদি ! যে সম্পত্তি আছে, আশা করি, না খেয়ে মরব না।
আসলেই ডুবে গিয়েছিল মা। না কি, এক খড়কুটো আঁকড়ে ধরে বাঁচতে চেয়েছিল? অসংখ্য পুরুষের হাতছানি থেকে নিজেকে বাঁচাতে, বাবার হাত ধরেছিল?

বলব, সে কথাও বলব। তার আগে, দেখে নিই আমার গ্রামের পরিস্থিতি। বলেছি, মনিপুরী অধ্যুষিত এক গ্রাম এটা, যার উত্তরে ছিল এক চাবাগান। ভারি সুন্দর নাম এর। সোনামুখী। দক্ষিণে এক বাঙালি পাড়া, তারপর পাহাড়। পশ্চিমে মনু নদী। আগে, এই নদী দিয়ে যাতায়াত করত লঞ্চ। মূলত, কার্পাস, তিল ও পাট নিয়ে যেতে আসত এসব লঞ্চ। এছাড়া দেখতাম গুণে টানা বড় বড় নৌকা। অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকতাম ঐসব নৌকার দিকে। মা নদীর কাছে যেতে দিতে না চাইলেও চলে যেতাম, কেন না, নদী ছাড়া আমার কোনো বন্ধু ছিল না।
ভুল, ভুল বললাম। একটা আমগাছ ছিল, আর ছিল কালটু, আমার পোষা কালো কুকুরটা । সর্বদা পাশে পাশে থাকত।
সাধারণত বিকেলের দিকে নদীর কাছে গিয়ে বসতাম, কথা বলতাম। মা যেতে দিত না, বলত, সাবধান, যাবি না। নদীতে গড়িয়াল আছে।
একবার, গ্রামের এক বৌয়ের পা কেটে নিয়েছিল গড়িয়াল। সে নিয়ে কত হৈচৈ। সেই থেকে মা'র ভয়, যদি আমাকেও নিয়ে যায়, যদি নিয়ে যায়, তার কী হবে!
বাবার পর, আমাকেই খড়কুটো হিসেবে আঁকড়ে ধরেছিল মা। এছাড়া তার আর বাঁচার কারণ ছিল না এই পৃথিবীতে।


সত্যিই কি তাই? এ নিয়ে আমার খুব সংশয়।
সংশয় বললাম, কেন না, একটা প্রশ্নের উত্তর আমি এখনও খুঁজে পাইনি। বহুদিন, মালঠেপে, দসু খেলার সময়, লক্ষ করেছি, কড়ির দান দিয়েও, আশা করতাম, এবার ঠিক জিতে যাব!
ও, হ্যাঁ, মালঠেপ বা দসু খেলা মনিপুরী শব্দ। মালঠেপ মানে মণ্ডপ আর দসু তো পাশা খেলা। মণিপুরীদের সমাজজীবন এই মণ্ডপ নিয়ন্ত্রিত। আর, মণ্ডপ মানে ব্রাহ্মণ ও পদাবলী।
বহুদিন ভেবেছি, আমি পদাবলীর সন্তান, কেন না, আইনগত কোনো বৈধতা ছিল না আমার এই জন্মের। সামাজিক যে স্বীকৃতি, তা মা'র দাঁত চেপে লড়াইয়ের ফল।

...চলবে। পরবর্তী সংখ্যায়।

ছবিঃ পার্থ প্রতিম চট্টোপাধ্যায়

ফেসবুক মন্তব্য