তিনটি কবিতা

পাপড়ি গুহ নিয়োগী





নেক্রপলিস ৪



গভীর ষড়যন্ত্রের ভেতর কাঁচের প্রজাপতি
স্বপ্নে ভিজে গন্ধ, সাপ, ধুলোমাখা স্মৃতি


রাস্তার দুপাশে আতঙ্কের আলো
যুদ্ধের আবহাওয়ায় কেঁপে ওঠে সময়


বাঘিনী পরী রাইফেল হাতে ঢুকে পড়ে
সার্কাসের তাঁবুর ভেতর


রক্ত লিখতে লিখতে মা
চিৎকার করে বলে, যুদ্ধ হলো নরক
অথচ
গাছ অক্সিজেন দিয়েই যাচ্ছে
এসব নেক্রপলিসে...



নেক্রপলিস ৬

প্রথম ঘোড়া হবার কথা মনে পড়ে
চুপচাপ নিচু হতাম

নগ্ন সূর্য গনগনে তাপ উগড়ে দিত
যেন কয়লার উনুনের ভেতর

আজকাল এই নেক্রপলিস ছেড়ে চলে যাবো বলে
দাঁড়ি কমা সেমিকোলন গোপনে মুছে ফেলি

স্মৃতির ভিড় নরম মুখ ক্ষত বিক্ষত করে
বারবার জড়িয়ে যায় সুতো
চারপাশে শূণ্যতার ইমারত

কারা যেন গাছ কেটে বড় রাস্তাকে
জাতীয় সড়ক বানিয়ে দিয়েছে



নেক্রপলিস ৮

নেক্রপলিসে মরা মাছ ভেসে ওঠে
ইঁদুরের গলিতে বাড়ে মাংসের দোকান

বাঘিনী পরী মানুষকে কবে যে বনসাই করে ফেলেছে
যদিও বনসাইয়ের ইতিহাস আরও বহু পুরানো

এখন উন্নত মানের বনসাই কালচার চলছে

অলংকরণঃ অরিন্দম গঙ্গোপাধ্যায়

ফেসবুক মন্তব্য