সাইকো ৩৫

বুদ্ধদেব হালদার



একদিন এই পশ্চিমবাংলার সমস্ত কবি আমার বিরুদ্ধে মামলায় যাবে।
অভিযোগ- বাংলা কবিতায় যা-হোক খুশি লিখে দারুণ পাঠকপ্রিয়তা
অর্জন। এমনকী দুঁদে হারামি কিংবা বেওসাদার বৃষল এসব তারা
আমাকে শোনাতে ক্রমেই অভ্যস্ত হয়ে উঠবে।
আমি উত্তেজনাহীন একটা মানুষ। মাঝরাত্তিরে বিছানায় বসে
নিভা চৌধুরীর কথা ভেবে আজও ভ্যাঁ করে চিল্লে উঠি। এবং এটাও সত্যি,
গত সাড়ে তিনবছরে ডিজিটাল রেশনকার্ড এখনও হাতে পাইনি আমরা।
ফলে, কিছুটা খাদ্যাভাব যে রয়েছে তা অস্বীকার করতে চাই না। আর
কোনো চাকরি যে শেষপর্যন্ত আমি জোটাতে পারিনি এ ব্যাপারে রাজ্যের
মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আপনাদেরও কিছুটা ভেবে দেখা দরকার।
অনেকটাই রোগা হয়ে গেছি এখন। এবং অনেকটাই অসুন্দর।
আমি কি কবিতা লিখব বলে জন্মেছিলাম? প্রিয় কবি, আপনারা কেন
বোঝেন না, আপনাদের কাটা আঙুল বাংলাসাহিত্যে আর কোনো
কাজে লাগে না এখন

অলংকরণঃ অরিন্দম গঙ্গোপাধ্যায়

ফেসবুক মন্তব্য