মহাজাগতিক

সুপর্ণা বোস

যোগাযোগ ভেঙে গেলেে,
জেগে থাকি যোগমুদ্রায়...

ছেড়ে এসেছি সময়, তবু
পুরোপুরি ছাড়তে পারিনি
আসে যায়, মনের আঁচলে টান দেয়।

ঘুমের প্রান্তরে জেগে ওঠে
কবেকার বংশীবট, তবু বাঁশি নয়
বিড়ালের কান্না শুনি আমি।

বাকি রাত, ছিঁড়ে ফেলি অন্ধকার
কার যেন ভারী বুট হেঁটে যায়
ঘুমের ভিতর, তার কথার শিকল...

নতুন প্রজেক্ট, ড্রইং, স্কোপ
স্পেসিফিকেশনের কথা
কিছু বুঝি, কিছুবা বুঝিনা।

পরশপাথর ছোঁয়া লোহাচোখ
দেখার সময় কই, সোনা হল কিনা
ঠিকানা থাকলেই পৌঁছানো যায়না নিষিদ্ধতায়।

কেমন আছো হে মানুষ? ঈর্ষাসবুজ
এখনো কি জ্বালা করে বুকের ভিতর?
এখনো কি মাথা ধরে সন্ধ্যের দিকে...

তার কথা ভেবে, পুড়ে যায় দুচোখের পাতা
কালিময় পেতল—পিলসুজ।


মনকেমনটুকু হাত খোঁপায় জড়িয়ে
উৎসব দিনে, নিশ্চুপে রেখে আসি
নিরাময়, সোনা ও সুগন্ধী...

মাধ্যাকর্ষণহীন কি অপূর্ব উড়ে যাই তারা চিনে চিনে।

ফেসবুক মন্তব্য