কিশোরীবেলা ও রূপুদা

মিঠু সেন



হঠাৎ à¦•à¦¿à¦¶à§‹à¦°à§€à¦¬à§‡à¦²à ¦¾ ফিরে এসে ঘুম ভাঙিয়ে দেয়
আলগোছে পেরিয়ে যাই রূপুদার বারান্দা
কতদিন তার ঘামে ভেজা হাত ধরে
ডিঙিয়ে গেছি মেঝেতে আঁচল বিছিয়ে শুয়ে থাকা
বুড়ি চাবি-à¦—à§‹à¦›à¦¾à¦Ÿà ¦¿à¦° ভাতঘুম...

রূপুদা তার একপেশে ঘরে টেনে নিয়ে
দুপুরের নির্জন চুমু চেনাত,
বুকের রোমে শোঁকাতো পরুষ গন্ধ;
ভয়ে গুটিয়ে রাখতাম অপমানিত সে à¦•à¦¿à¦¶à§‹à¦°à§€à¦¬à§‡à¦²à ¦¾
সেই তো ছিল আমার হেমন্তের ঋতু
একা একা মলিন কুয়াশার ঝরে যাওয়া
চিলেকোঠার ঘরে à¦›à§‹à¦Ÿà§à¦Ÿà¦¬à§‡à¦²à¦¾à ° মতো
একটা স্বপ্নের চাবুক হাতে
ঘোড়ার পিঠে চড়ে বসতাম
শাসন করতাম ভেজা দুপুর
রূপুদার পিঠ ফেটে রক্ত বের হত
ফালা ফালা হয়ে যেত তার পুরুষকার

আজ সমস্ত রেপ হওয়া মেয়েদের শোকে
মোম জ্বালাতে ছুটে আসে আমার à¦•à¦¿à¦¶à§‹à¦°à§€à¦¬à§‡à¦²à ¦¾
কাগজে ধর্ষণের খবরে খুঁজতে থাকে রূপুদার নাম

আর আমি খুঁজতে থাকি আমার নষ্ট-দুপুর...

ফেসবুক মন্তব্য