সরে যেওনা

ঋকপর্ণা ভট্টাচার্য

কারণ, ব্যথায় বড়ো তীব্র আনন্দ আসে।

এই যে নেই এর রাজত্ব, এই যে প্রসারিত শূন্য মাঠ, ছেঁড়াখোঁড়া বল্কল, নেইজাত তীব্র অহঙ্কার--এর সঠিক স্বাদ পেতে হলে--- দূরে নয়--- কাছে থেকে বারংবার যন্ত্রনা পেতে হয়। প্রতিটি আস্ফালন কিংবা শীৎকার মধুময় হোক, বমন করুক সুতীব্র, সৎ হাহাকার।

তোমার তুমিটি মেখে প্রতিবার জ্যোৎস্না হয়ে যেতে যেতে বুঝে যাই গহীনতম অমাবস্যা না এলে, বিরহ কাকে বলে বোঝা হতো না, কস্মিনকালেও।

কাল সূর্য উঠবে আমার নাভিমূল থেকে--- টকটকে লাল পদ্মের মতো--- একটি নবজাতক প্রেম।

সরণ না, আপাতত তার জন্ম দেবে বলেই, একটুখানি স্থিতি পাক তোমার ঔরস।

আমিও শান্ত থাকি, একহাজার বছর--- আগামীকে ধারণ করে সন্তর্পিত মাতৃত্ব ধারণ করে--- চোখে মুখে গর্ভাশয়ে এবং মননে।

যন্ত্রণা তীব্র হলে প্রসবে যন্ত্রহীন ক্লান্তগর্বী মাতৃত্ব এসে বলে দেবে--- যাপনে কোথাও কোনও ভ্রষ্টাচারী পলায়ন ছিলোনা ।

একটুকরো মহাকাশী জিন পেলে আজও মহার্ঘ্য হয়,
কৃষ্ণগহ্বর অথবা চান্দ্রেয়ী সন্ততীদল।

ফেসবুক মন্তব্য