আ মরি হিন্দি ভাষা

অঞ্জনা চট্টোপাধ্যায়



পঞ্চাশ বা ষাটের দশকের কলকাতায় যাদের জন্ম, স্বাধীনোত্তর ভারতের দেশাত্মবোধক আবহাওয়া তাদের স্মরণে থাকবে। স্বাধীনতা দিবস, প্রজাতন্ত্র দিবস, গান্ধিজয়ন্তী প্রভৃতি বিশেষ দিনগুলিতে ঘটা করে প্রভাত-ফেরি হতে দেখেছে তারা, সোৎসাহে অংশও নিয়েছে। স্কুলের ছেলেমেয়েদের সাদা পোষাক সাদা কেডস প’রে রাস্তা দিয়ে ড্রাম বাজিয়ে মার্চ ক’রে যাওয়া দেখতে তখন সবাই সপরিবারে বারান্দায়, জানলায় সাগ্রহে জড়ো হতো আর ছোটবড় সবার মন গর্ব ও দেশপ্রেমে ভরে উঠতো। এটাই ছিল সেদিনকার স্বাভাবিক ছবি। দেশাত্মবোধক অনুষ্ঠানগুলি বঙ্কিমচন্দ্র, হেমচন্দ্র, নবীনচন্দ্র, অতুলপ্রসাদ, রজনীকান্ত, সত্যেন্দ্রনাথ, দ্বিজেন্দ্রলাল, নজরুল, রবীন্দ্রনাথ থেকে মুকুন্দ দাস, সবিতাব্রত প্রমুখদের রচিত কখনও রক্ত টগবগানো কখনও বা হৃদয়জুড়ানো স্বদেশি গানে হতো মুখর । মহিলা কবিদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সরলা দেবী চৌধুরাণি ও কামিনী রায়। এঁদের কবিতা ও গান বাঙালিমাত্রেরই ঠোঁটস্থ ছিল। কয়েক বছর আগে দাঙ্গায় রক্তগঙ্গা বয়ে গেছে, দেশভাগে শয়ে শয়ে মানুষ ছিন্নমূল গৃহহীন হয়েছে কিন্তু তার রেশ টেনে হিংসা-বিদ্বেষমূলক মনোভাব পরিবার-পরিজন বা বাইরের সামাজিক পরিবেশে টের পাওয়া যায়নি। স্বাধীনতা নিয়ে সবার মনে তখনও ঘোর লেগে ছিল যার আবেগে বন্দে মাতরম্ শ্লোগানের বন্ধনে সমগ্র দেশবাসী ছিল ঐক্যবদ্ধ।
মেধা বা প্রগতিশীল চিন্তাভাবনায় কলকাতা তথা বাঙালীর স্থান সেদিন ছিল অনেক ওপরে। What Bengal thinks today, the world thinks tomorrow –বাঙালীদের জন্য এতটাই শ্রদ্ধা পোষণ করতো বাদবাকি ভারতবর্ষ। পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রভাবে বঙ্গদেশে প্রথম আসে নবজাগরণের জোয়ার। রামমোহন, বিদ্যাসাগরের নেতৃত্বে আসে সমাজ সংস্কারের পালা, ধর্মের ক্ষেত্রে একদিকে স্থাপিত হয় ব্রাহ্মসমাজ অন্যদিকে রামকৃষ্ণ মিশন, নোবেল জিতে রবীন্দ্রনাথ দেশের মুখ উজ্জ্বল করেন, কথাকার শরৎচন্দ্রের লেখা অনূদিত ও আদৃত হয়ে সমগ্র ভারতে ছড়িয়ে পড়ে, স্বামী বিবেকানন্দ শিকাগো জয় করেন, সত্যেন্দ্রনাথ বসু জগদীশচন্দ্র বসু বিজ্ঞানে অমূল্য স্বাক্ষর রাখেন, বিপিনচন্দ্র পাল, চিত্তরঞ্জন দাস, সুরাওয়ার্দি, নেতাজি প্রমুখ নেতারা দেশের কাণ্ডারী রূপে অবতীর্ণ হন। বাঙালি সংস্কৃতিও পায় আলাদা সম্ভ্রম। বাঙালি চিন্তাবিদ ও শিল্পীরা সবার শ্রদ্ধা কুড়োয়। সঙ্গীত ও চলচ্চিত্র জগতে বাঙালিরা আধিপত্য বিস্তার করে। আমাদের বারোয়ারি পুজোর ভাবনা ধার ক’রে মহারাষ্ট্রে শুরু হয় বারোয়ারি গণেশ উৎসব। যেদিকে তাকানো যায়, বাঙালির উজ্জ্বল উপস্থিতি! এইসবের ফলেই হয়তো জাতিগত একটা সুপিরিওরিটি কমপ্লেক্স নিয়ে বড় হয় সেদিনের বাঙালি ছেলেমেয়েরা।
যেকোনও সম্প্রদায়ের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির প্রাণভোমরা হলো তার ভাষা। বাংলা ভাষাও বাঙালি সংস্কৃতির ধারক হিসেবে যারপরনাই সমৃদ্ধ। শিক্ষিত মানুষ মাত্রে সেদিন তাঁর মাতৃভাষা বলতে, লিখতে ও পড়তে তো পারতেনই তার চেয়েও বড় কথা, ইংরেজিতেও তাঁরা সমান দক্ষ হতেন, সঙ্গে ফার্সি ও সংস্কৃতির চর্চাও থাকতো। একাধিক ভাষায় দক্ষতা একজনকে শুধু ব্যক্তিগতভাবে সমৃদ্ধ করে না, তার মাতৃভাষাটিকেও সমৃদ্ধ করে। বাংলা ভাষার সমৃদ্ধির আরেকটা কারণ, যে ভাষার সংস্পর্শে এসেছে তার থেকেই সে শব্দ আহরণ করেছে। তাই বাংলা শব্দভাণ্ডারে আরবি-ফার্সি-ঊর্দু-পর্ত ুগীজ-স্প্যানিশ-আরমানি- ইংরিজি ইত্যাদির মত বহু ভাষার সমাহার। এছাড়া তৎসম, তদ্ভব, পালি, প্রাকৃত এবং বিভিন্ন আঞ্চলিক শব্দ তো আছেই। ফলে বাংলা ভাষা উত্তরোত্তর ঐশ্বর্যশালী হয়ে ওঠে। তার প্রভাব পড়ে বাংলা কাব্যে সাহিত্যে। রামমোহন, বিদ্যাসাগর, টেকচাঁদ ঠাকুর, প্যারীলাল মিত্র, মধুসূদন দত্ত, বঙ্কিমচন্দ্র প্রমুখ মহারথীদের পেরিয়ে উদয় হয় চিরভাস্বর রবীন্দ্রনাথ, তারপর রবীন্দ্রযুগ পেরিয়ে রবীন্দ্র-বিরোধী যুগের আবির্ভাব এবং সেখানেও আশ্চর্য সব জ্যোতিষ্করা - বনফুল, যতীন্দ্রমোহন সেনগুপ্ত, বিভূতিভূষণ-তারাশঙ্কর- ানিক, বুদ্ধদেব, মোহিতলাল, নজরুল এবং তারও পরে সুনীল-শক্তি সমরেশ-শীর্ষেন্দুরা, জয় গোস্বামী-সুচিত্রা ভট্টাচার্য থেকে একেবারে হালফিলের সুবোধ-মল্লিকা-মন্দাক্ ান্তা-শ্রীজাতরা। নতুন চেতনা, নতুন স্টাইল, পুরনো শব্দকে নতুন ঢংয়ে ব্যবহার, চেনা কথাদের নতুনতর অনুষঙ্গে নতুন রসে জারিয়ে পরিবেশন। একটা ভাষার শক্তির পরিচয় এখানেই -- মূলকে অক্ষুণ্ণ রেখে কতভাবে তাকে বিস্তার দেয়া যায়, বিন্যস্ত করা যায়। বাংলা ভাষা বারবার নতুন রূপে উদ্ভাসিত হয়ে এসেছে আর আমাদের সাহিত্যসম্পদকে উন্নততর করে তুলেছে। আমরা নতুন আবেগে গেয়েছি পুরনো সেই গান – মোদের গরব মোদের আশা, আ মরি বাংলা ভাষা!
পাশাপাশি চলে আরেকটা গল্প যেটা গত ১৫-২০ বছরে বাঙালিজীবন তথা বাংলা ভাষায় এনেছে তুমূল পরিবর্তন। ইতিপূর্বে বাঙালির মেধা নিয়ে যেমন কোনও সংশয় ছিল না তেমনি তার মুখের ভুল হিন্দিও ছিল সর্বজনবিদিত। গল্পেসিনেমায় একদিকে শিক্ষিত আদর্শবান সংস্কৃতিবান বাঙালি নায়কচরিত্ররা দর্শকের মন ভোলায়, অন্যদিকে জহর রায়, নৃপতি চ্যাটার্জি বা অসিত সেনদের হিন্দি কমেডির খোরাক জোগায়। আমাদের অতি প্রিয় ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়ও এ নিয়ে ক্যারিকেচার করতে ছাড়েন নি। নজর করলে নিজেদের চারপাশে এর আজস্র নিদর্শন পাওয়া যাবে যে বাঙালি পারুক না পারুক হিন্দি বলার সুযোগ কখনও ছাড়ে না। সর্দারজির ট্যাক্সিতে উঠেই যাতা হ্যায় খাতা হ্যায় বা রিক্সায় উঠে ঘুমাতা হ্যায় উঠাতা হ্যায় বলে হিন্দি শুরু করে দেবে। অথচ নিজের রাজ্যে বসে ভিন রাজ্যের ভাষা বলতে তাকে কেউ মাথার দিব্যি দেয় নি। এটাকে বাঙালির ঔদার্য বলে, সবাইকে আপন করার প্রবণতা বলে ব্যাখ্যা করা যেতে পারে। কিন্তু যখন দেখা যায় যে কালে কালে সে নিজের ভাষাকে ভুলে পরের ভাষাটাকেই মাথায় তুলছে, তখন নিজের ঐতিহ্য-সংস্কৃতির প্রতি তার শ্রদ্ধাবোধে সংশয় জাগতে বাধ্য। একদা কবি বলেছিলেন, কত রূপে স্নেহ করি দেশের কুকুর ধরি বিদেশের ঠাকুর ফেলিয়া। আজ আমরা দেশের ঠাকুর ফেলে বিদেশের কুকুর ধরতে শুধু ওস্তাদই হয়ে উঠিনি তার জন্য যথেষ্ট গর্ব বোধ করি! একসময় আমাদের লিঙ্ক ল্যাঙ্গুয়েজ ছিল ইংরিজি, তাতে বহু বাঙালি মাতৃভাষায় তুখোড় হওয়া সত্বেও স্রেফ ইংরিজির দোষে মার খেতো। আর যে ইংরিজিতে ভালো, সে অহংকারে ধরাকে সরা জ্ঞান করতো। এই ঔপনিবেশিক মানসিকতা কাটাতে হিন্দিকে রাষ্ট্রভাষা করা হলো। সর্বত্র চাপানো হলো জবরদস্ত হিন্দি। ফলস্বরূপ বাঙালি এবার হিন্দিতে চোস্ত হয়ে উঠলো কিন্তু বাংলাটাকে বেমালুম ভুলে গেলো। বস্তুত আজ সে বাংলা ইংরিজি হিন্দি সবেতেই কাঁচা, শুধু হিন্দি বলায় পারদর্শী। এই বিদ্যে নিয়ে না জীবনে উন্নতি করা যায়, না নিজের সংস্কৃতিকে শ্রদ্ধা করতে শেখে। আর কে না জানে, নিজের সংস্কৃতি, শিকড়, ইতিহাসকে শ্রদ্ধা করতে না শিখলে চরিত্রগঠন হয় না। ফলে আজ বঙ্গদেশ তথা বাঙালির মধ্যে অবক্ষয়, রেষারেষি, হীনম্মন্যতা ও দুর্নীতি প্রবলরূপে প্রকট। তাই আজকের বাঙালি নিজেদের মধ্যে হিন্দিতে কথা বলে, হিন্দি গান দিয়ে মনের ভাব প্রকাশ করে, অনুষ্ঠানে হিন্দি গান শোনে ও হিন্দি গান গেয়ে হাততালি কুড়োয় এবং জীবনের সর্বস্তরে অবাঙালি সংস্কৃতির পদলেহন করে। ওদিকে প্রাচীন গৌরবের অহমিকা আঁকড়ে থাকায় একধরনের অলীক উন্নাসিকতায়ও ভোগে! এই প্রচ্ছন্ন দ্বিচারিতার ফলে বাঙালি ক্রমশ শুধু ভারতীয় মহলে নয়, গোটা দুনিয়ার চোখে দুর্বল, কপট, ক্ষুদ্রমনা ও প্রতিযোগিতাবিমুখ বলে পরিচিত হচ্ছে। গল্পেসিনেমায় আজ আর সে হিরো নয়, ক্যারিকেচার। সেদিন তার হিন্দি ছিল কৌতুকের বিষয়। আজ কৌতুকের বিষয় তার চরিত্র। ভাবতে কষ্ট হয়, যে হিন্দি নিয়ে একদা বাঙালির এত হেনস্থা, আজ সেই হিন্দি কলকাতাবাসীর মুখ্য ভাষা! শুধু ভাষা নয়, বাঙালি সংস্কৃতিকে সরিয়ে দিয়ে জায়গা ক্রোক করে নিচ্ছে আবাঙালি সংস্কৃতি। বন্দে মাতরম্ এর জায়গায় এল জয় হিন্দ্। দেয়ালভর্তি সাজানো হলো শচীন দেব বর্মন, রাহুল দেব বর্মন, রফি, লতা, আশা। হারিয়ে গেলেন দ্বিজেন, শ্যামল, সন্ধ্যা, মানবেন্দ্র, সতীনাথ, উৎপলা, নির্মলেন্দুদের মত অজস্র গুরুস্থানীয় শিল্পীরা। তাঁরা শুধু ব্যবহৃত হন নতুন শিল্পীদের প্রভাতকালীন জলসায় গান গেয়ে প্রতিষ্ঠা অর্জনের কাজে। বাংলা সিরিয়ালে ছেলেমেয়েরা প্রেম নিবেদন করে হিন্দি গানে, মৃত স্বামীর স্মৃতিচারণ করে স্ত্রী হিন্দি গান দিয়ে, গৃহদেবতার পুজো হয় হিন্দি গান গেয়ে এবং সবচেয়ে বেদনাদায়ক যখন চরিত্রদের কথোপকথনে ব্যবহৃত হয় বাংলা অনুবাদে হিন্দি প্রবাদ! সবুরের ফল মিষ্টি হয় (সবর কা ফল মিঠে হোতে হ্যায়) সবুরে মেওয়া ফলে নয়, লাঠি যার বলদ তার (জিস কি লাঠি উসকি ভৈঁস)জোর যার মুলুক তার নয়, হাজার বছর বাঁচো (জিও হাজার সাল) শতায়ু হও নয়, উল্টে চোর কোতোয়ালকে চোখ রাঙায় (উল্টা চোর কোতোয়াল কো ডাঁটে) চোরের মার বড় গলা নয়। রত্নের আকর বাংলা প্রবচন আ মরি বাংলাভাষা থেকে নির্বাসন লাভ করে। এই সব ডায়লগ শুনলেই বোঝা যায় স্ক্রিপ্ট লেখক হয় বাংলা ভালো জানে না নয়তো অবাঙালি প্রোডিউসারের হাতে ঠুঁটো জগন্নাথ। একসময় সন্ধেবেলা পাড়ায় বেরোলে বাড়িতে বাড়িতে শোনা যেত নজরুলগীতি-রবীন্দ্রসঙ গীতের রেওয়াজ। আজ শোনা যায় টিভিতে চলছে রিয়্যালিটি শো, হিন্দি সিরিয়াল, হিন্দি গান। আরও আছে। বড় বড় অধিকাংশ দোকানের মালিক অবাঙালি তাই এখন কাউন্টারে বা ফোনের ওপ্রান্তে সবাই হিন্দি বলে আর ক্রেতারাও রিফ্লেক্সে হিন্দিতে উত্তর দেয়। কেন? আমার রাজ্যে বসে আমি মাতৃভাষায় কথা বলা থেকে বঞ্চিত হবো কেন? কেন বাঙালি জেদ করে ওদের বাংলা বলতে বাধ্য করবে না বা নিদেনপক্ষে নিজে বাংলায় উত্তর দেবে না? আরেকটা তাজ্জব ব্যাপার, রীতিমত বাঙালি পাড়ায় এক বাড়িতে লিফ্ট খোলা-বন্ধের সময় শোনা গেল ইংরিজি আর হিন্দি ভয়েস রেকর্ড। অর্থাৎ বাংলাকে এই রাজ্য থেকে সর্বসম্মতিক্রমে তুলেই দেওয়া হলো! ভারতের অন্য কোনো রাজ্যে ঘটেছে এটা? দক্ষিণ ভারতের চারটে প্রদেশে গিয়ে দেখে আসা উচিৎ কিভাবে নিজেদের ভাষাকে প্রবল শক্তিতে আগলে রাখতে হয়। না ইংরিজি না হিন্দি কাউকে মাতৃভাষার চেয়ে বেশি গুরুত্ব পেতে দেয় নি ওরা। আর আমাদের বাংলা সিনেমা আজ পাগলু, গুন্ডে, দিওয়ানা, খিলাড়ি, বস্, চ্যাম্প। ধামাকা, বিন্দাস, ইয়ার, ওয়াও এখন আর স্ল্যাং নয়, স্বীকৃত ভদ্র বাংলা শব্দ। ‘স্বচ্ছ্ ভারত’ আর ‘ডেটলের স্বচ্ছতা’র ঠেলায় ‘স্বচ্ছ’ শব্দটা চোখের সামনে বাংলা থেকে হিন্দি হয়ে গিয়ে মানেটাকেই আপাদমস্তক পাল্টে দিল! কেউ প্রতিবাদ করলো না। কার বা গোয়াল, কে দেয় ধোঁয়া।
প্রকৃতির নিয়ম পরিবর্তন। সুতরাং তাই হোক। আগামি দিনের বাঙালি বলুক ‘স্বচ্ছ রাস্তা’, ‘স্বচ্ছ মেঝে’, ‘স্বচ্ছ ঘর’। স্বচ্ছ শাড়ির অনুষঙ্গ হোক সানি লিওনে নয়, ধোপা। কিন্তু স্ফটিকের ক্ষেত্রে সে কি বলবে? পারদর্শক স্ফটিক না ঝিল্লড় স্ফটিক? এইসব হিন্দি শব্দ অন্তর্ভুক্ত করে বের হোক নতুন বাংলা অভিধান।
আগামি দিনের বাঙালি দেশপ্রেমীদের জন্য বাঁধা হোক স্বদেশি রিমেক, মোদের গরব মোদের আশা, আ মরি হিন্দি ভাষা।

ফেসবুক মন্তব্য