স্বেচ্ছাধীন

বেবী সাউ



এক

ততটাই ঘৃণা নিয়ে আমার এ শব্দের কাছে নত হওয়া। মানতে পারোনি। বিষণ্ণতা আসলে তোমাকে সমর্পণ করে দেওয়ার নিপুণ কলাকৌশল। গোপন উড়ানের কবিতা। প্রতিটা অক্ষর মুছে ধুয়ে রাখি। দেরাজ হারিয়েছি বলে পলাশীয় পথ জুড়ে শুধু মোরামের ক্ষত। রক্ত পুষতে আরম্ভ করেছি যেদিন সমস্ত নৌকো ফাগুনে ভরে গেছে। তোমার সমস্ত আলপথে বিস্তারিত সবুজের খেলা। চোখে নবান্নের উত্সব। মমি হওয়া একে বলে বুঝি! সবটুকু মৃতধ্বনির কাছে এই যে কলাপাতা মোড়া বিষ। ঘুঙুর ভেঙে যাওয়া বেহুলার নাচ, ঘাতকের বেশে নির্জন দুপুর এসে দাঁড়িয়েছে আমার স্কোয়ার ফুট জীবনে।

দুই

পাথর বুঝেছে জলের মাহাত্ম্য। সারাটা বারবেলা বালু নিয়ে খেলা আর খেলা । প্রয়োজন ফুরিয়েছে বলে শিমুলের ডালে নক্ষত্রফুল সময় গুনছে। তুলো শুধু হাওয়ার সখ্যতা। নীলে ভরে আছে মঠাকাশ। শূন্যতার মোহ এসে আমার জমানো চিঠি ছিঁড়ে ফেলে। ওই অচেনা পৃথিবীতে নামকরণের সমাস জড়ো হয়। হাঁটু পেতে বসো! মুগ্ধ চোখ আলোর গন্ধে দালানে এসে ঠেকে। বরাভয়ে চিঠি লেখো তুমি। শহরে কখন যে ঢুকে গেছে কিংকর্তব্যবিমূঢ় চৈত্র! বোঝোনি।

ফেসবুক মন্তব্য